
বিশ্বজুড়ে ‘মেড ইন জার্মানি’ বা জার্মান যন্ত্রের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে নিখুঁত প্রকৌশল, স্থায়িত্ব, শৃঙ্খলা আর শতভাগ কার্যকারিতা। বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ-বেঞ্জ কিংবা অত্যাধুনিক ভারী শিল্প, যা জার্মানরা কোনো আবেগ দিয়ে বানায় না। বানায় নিখুঁত গাণিতিক পরিকল্পনা দিয়ে। ঠিক একইভাবে জার্মানির ফুটবল দল যখন মাঠে নামে, তাদের খেলার ধরনও যেন কোনো শৈল্পিক ফুটবল নয়, বরং মাঠের বুকে সচল এক ‘জার্মান মেশিন’!
বিশ্ব ফুটবলে জার্মানিকে ডাকা হয় ‘দ্য জার্মান মেশিন’। একটি আধুনিক যন্ত্র যেমন প্রতিটি গিয়ার, নাট-বল্টুর নিখুঁত সমন্বয়ে কোনো বিচ্যুতি ছাড়াই চলতে থাকে, জার্মান ফুটবলাররাও মাঠে ঠিক সেভাবে খেলেন। লাতিন আমেরিকার ফুটবলে যেখানে থাকে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও ড্রিবলিংয়ের ছন্দময় জাদু, সেখানে জার্মান ফুটবলের মূল ভিত্তি হলো দলগত শৃঙ্খলা, নিখুঁত পজিশনিং এবং পূর্বপরিকল্পিত রণকৌশল। মাঠের ১১ জন খেলোয়াড় যেন একটি রোবোটিক যন্ত্রের একেকটি পার্টস, যা একসাথে নিখুঁতভাবে কাজ করে।