এর আগে, সকাল থেকে বাগানটি ঘিরে রাখে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বাগানে কাউকেই যেতে দেয়া হচ্ছিল না।এছাড়া বাগানের পাশের স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে কেন বাগানটি ঘিরে রাখা হয়েছিল তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয় কৌতুহল।
এ বিষয়ে মেজর আকিদুর রহমান রুসাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী জানতে পারে কোরাপাড়ায় একটি মেহগনি বাগানে বিস্ফোরক দ্রব্য আছে। খবর পেয়ে ওই এলাকাটি ভোর থেকে ঘিরে রাখে। পরে যশোর সেনানিবাসের বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়া হয়। বোম ডিপোজাল ইউনিটের সদস্যরা এসে মেহগনি বাগানে থেকে একটি তাজা ‘আর্জেস গ্রেনেড হ্যান্ড ৩৬’ উদ্ধার করে। পরে সেটিকে ধ্বংস করা হয়।
গ্রেনেডটি কে, কোন উদ্দেশ্যে সেখানে রেখেছিল তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।