মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ১৫ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। একইসাথে তাদের বিরুদ্ধে ১০ ব্যাংক হিসেবে ২৯৬ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগও এনেছে দুদক। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় কামাল আহমেদের ছেলে শাহেদ আহমেদকেও আসামি করা হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তা কাজী সায়েমুজ্জামানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির তদন্ত থেকে প্রত্যাহারের বিষয়েও কথা বলেন। জানান, দুদক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিযুক্তদের বিষয়ে তদন্ত বিঘ্নিত হবে না। এছাড়া দুদকের মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান দুদক ডিজি।