লাল-হলুদের বাসন্তী রঙে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের সাজিয়ে আজ বসন্তের উচ্ছলতা ও উন্মাদনায় আজ ভাসবে বাঙালি। গাছে গাছে বাহারি ফুল আর কোকিলের কন্ঠে গান শুনে বাঙালিও কণ্ঠে তুলে নেবে রবীন্দ্রনাথের সেই পরিচিত গান ‘আহা আজি এ বসন্তে, এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি বাজে, এত পাখি গায়।’
বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন এবং চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত। এই ঋতুর আগমন ঘটে শীত চলে যাবার পর এবং গ্রীষ্ম আসার আগে। বসন্তের প্রথম দিনে তরুণ-তরুণীরা নিজেকে রাঙিয়ে তোলে বাসন্তী রঙে। তাদের গায়ের বাসন্তী রঙে ছেয়ে যায় রাজপথ, পার্ক, বইমেলা, সবুজ চত্বর। পুরো দেশেই চলে উৎসবের আমেজ। গায়ে হলুদ আর বাসন্তী রঙের পাঞ্জাবি-শাড়ি জড়িয়ে তরুণ-তরুণীরা এদিন নিজেদের রঙিন সাজে সাজান। বসন্ত তাই তারুণ্যের ঋতু।
বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের শেষ ঋতু বসন্তের প্রথম দিনকে বাঙালি পালন করে ‘পহেলা ফাল্গুন’ বা ‘বসন্ত উৎসব’ হিসেবে। বাঙালির নিজস্ব সার্বজনীন প্রাণের উৎসবের মাঝে এ উৎসব এখন গোটা বাঙালির কাছে ব্যাপক সমাদৃত।