স্থানীয় সময় রবিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু এসব মন্তব্য করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের দৃঢ়তা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে ইরানের কৌশলকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু তার বক্তৃতায় বলেন, গত ১৬ মাসে ইসরাইল ইরানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আঘাত হেনেছে এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমরা এই কাজটি শেষ করব। তিনি আরও বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক শক্তি হতে পারে না, কারণ এর ফলে পৃথিবী এবং অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও ইরানকে একটি পারমাণবিক শক্তি হিসেবে না দেখতে চান না। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে দায়ী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করতে, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের দৃঢ়তা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে ইরানের কৌশলকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করার জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু তার বক্তৃতায় বলেন, গত ১৬ মাসে ইসরাইল ইরানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আঘাত হেনেছে এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমরা এই কাজটি শেষ করব। তিনি আরও বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক শক্তি হতে পারে না, কারণ এর ফলে পৃথিবী এবং অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও ইরানকে একটি পারমাণবিক শক্তি হিসেবে না দেখতে চান না। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার জন্য ইরানকে দায়ী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করতে, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাস, হিজবুল্লাহ, পশ্চিম তীরের সহিংসতা, সিরিয়ার অস্থিতিশীলতা এবং ইরাকের মিলিশিয়াদের পেছনে মূল শক্তি হিসেবে রয়েছে ইরান। এগুলোর সবই ইরানের নীতির কারণে ঘটছে।
আল-আমিন সাঈফী