আজ শনিবার পরিষেবা পুরোপুরি চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) দিনভর বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় ২ লাখ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার সূত্রপাত স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। সেদিন পশ্চিম লন্ডনের হেইসের নর্থ হাইড পাওয়ার প্ল্যান্টে আগুন লাগার পর হিথ্রো বিমানবন্দরে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট দেখা দেয়। এতে হিথ্রোগামী সব ফ্লাইট ইউরোপের অন্যান্য বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়।
বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী থমাস ওল্ডবাই আটকে পড়া যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, এই বিপর্যয় ‘আমাদের বিমানবন্দরের জন্য সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা’। তিনি জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধা শতভাগ নিশ্চিত করতে না পারায় কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
লন্ডন পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, আগুন লাগার ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে করা হচ্ছে না। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ‘বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন সরঞ্জামের’ ওপর নজর দেয়া হবে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ঘোষণা করেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের দূরপাল্লার আটটি ফ্লাইট হিথ্রো থেকে ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে এবং তারা ‘গ্রাহকদের বিষয়টি জানাতে জরুরিভাবে যোগাযোগ করছে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, এয়ার কানাডা, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসসহ বেশ কয়েকটি এয়ারলাইনস হিথ্রো থেকে এবং সেখানে নির্ধারিত ফ্লাইট পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে।
আল-আমিন সাঈফী