এদিকে, অনুশীলনে সুয়ারেজ থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে এ ম্যাচে থাকছেন না উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড।
লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ারের এমন এক পর্যায়ে এখন দাঁড়িয়ে আছেন ফুটবল জাদুকর, যেখানে তিনি খেললেও হেডলাইন, আর না খেললে তো আরও বড় খবর। সাম্প্রতিক সময়ে পা জোড়া আর সায় দিচ্ছে না আগের মতো। পুরো ক্যারিয়ারে যে লোকটা ইনজুরির সঙ্গে সখ্যতা করেননি কখনই, ইন্টার মায়ামিতে এসে সেই তিনিই ভুগে চলেছেন একের পর এক শারীরিক সমস্যায়।
ইনজুরি নামক ভূতটা বেশ ভালোভাবেই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে লিও'কে। আজ এক ম্যাচ খেলেন তো কাল দুই ম্যাচে বসে থাকতে হয় ডাগ আউটে। খেললেও যে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন তা কিন্তু নয়। অনেকটা যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে বাকি দুনিয়াকে খুশি করে চলেছেন লিওনেল মেসি।
ছোটখাটো নিগেলসের কারণে এমএলএসে প্রায়ই এখন মাঠে সেই আগের ছন্দ দেখা যায় না। শেষ লিগস কাপ ফাইনালে যার প্রভাব পড়েছিল ক্লাবের ফলাফলে। কিন্তু সেই লিও'ই কিন্তু আবার জ্বলে উঠেছিলেন বুয়েনস এইরেসে নিজের শেষ ম্যাচে। জোড়া গোল করে জিতিয়েছিলেন আর্জেন্টিনাকে। কিন্তু পরের ম্যাচে মেসি নেই, ইকুয়েডরের বিপক্ষে হারে আলবেসিলেস্তে।
তবে, ইন্টার মায়ামির জন্য সুখবর এক সপ্তাহর বিশ্রাম শেষে আবারো মাঠে ফিরেছেন জাদুকর। ক্লাব সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে বেশ মনোযোগী ছিলেন মেসি। নিজের কারিকুরিতে মুগ্ধ করেছেন অনুশীলন দেখতে আসা সমর্থকদের। মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সে শারলট এফসির বিপক্ষে ম্যাচে খেলার অপেক্ষায় এখন তিনি। কোচের চাহিদা পরিপূর্ণ ফিট অবস্থাতেই যেন মাঠে নামেন লিও। তবে, হাফ ফিট মেসিও যে প্রতিপক্ষের জন্য কতটা আতঙ্কের তা তো ভালোই জানেন মাশচেরানো।
সংবাদ সম্মেলনে মায়ামি কোচ বলেন, ‘আমি আর স্ক্যালোনি কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এ কারণেই ইকুয়েডর ম্যাচে মেসি খেলেননি। আমাদের পরিকল্পনা ছিল পুরো সপ্তাহটা মেসিকে বিশ্রাম দেওয়ার। এতে করে, তার ছোটখাটো যে ইনজুরিগুলো ছিল সেগুলো ঠিক হয়ে যাবে। আজকের অনুশীলনে তাকে আমার খুব ফুরফুরে লেগেছে। মনে হচ্ছে না তার আর কোনো সমস্যা আছে। সে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত।’