ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, কথোপকথনের শুরুতে জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম সালাম দিলে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ মো. আব্দুস সোবহান ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে ‘চোর’ বলে সম্বোধন করেন। আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেন, হালিম অন্যের জিনিস চুরি করে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছেন এবং ফোন ধরছেন না। এক পর্যায়ে সোবহানকে বলতে শোনা যায়, ' তুই চুরি করছোস, তুই আমারে বলে চুরি করলি না কেন। ' জবাবে হালিম তাঁকে ব্যবহার ভালো করার অনুরোধ জানিয়ে ঘটনার জন্য আমিনুল ও শাহীন মাস্টার নামের অন্য দুজনকে দায়ী করার চেষ্টা করেন।
কল রেকর্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে জামালপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিম বলেন, ' ওই কল রেকর্ডের বিষয়ে আমার আর কোনো বক্তব্য নেই। রেকর্ডের ভেতরে যা আছে, সেটাই আমার বক্তব্য।'
অন্যদিকে জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ মো. আব্দুস সোবহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বালুঘাটের ইজারার বিডি (ব্যাংক ড্রাফট) জমা দেওয়া নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। তিনি অভিযোগ করেন, সবাই মিলে হালিমকে বিডি ড্রপের জন্য বলে রাখা হয়েছিল। কিন্তু হালিম আমাদের সবগুলো বিডি চুরি করে লুকিয়ে রেখে নিজের পছন্দমতো বিডি ড্রপ করেছে। দলগত সিদ্ধান্ত অমান্য করে সে একাই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করায় ক্ষোভ থেকে গত মাসের ১৯ তারিখে এই কথোপকথন হয়েছিল
চুনারুঘাট প্রতিনিধি