ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভোট চুরির প্রতিবাদে দিল্লিতে জনসমুদ্র: প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের হুংকার

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 12, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত 'ভোটার তালিকা সংশোধন' (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোট চুরির অভিযোগে সোমবার উত্তাল হয়ে ওঠে ভারতের রাজধানী দিল্লি। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র আহ্বানে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এলে কানট প্লেস ও মান্ডি হাউসের মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চল এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ রোধ করে। তবে এর আগেই বিরোধীদের আইনি দল সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে রিট পিটিশন দাখিল করে।

বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রধান দিকসমূহ:

  • নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ: কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং তরুণ আন্দোলনকারী নেহা বোরার নেতৃত্বে এই পদযাত্রা পরিচালিত হয়। পুলিশি ব্যারিকেডের মুখে রাহুল গান্ধী একটি খোলা ট্রাকে চেপে হাজার হাজার সমর্থকের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।

  • রাহুল গান্ধীর হুংকার: সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে রাহুল বলেন, “আপনি পদত্যাগ করুন এবং সরকারি সাক্ষী হয়ে যান। এই লড়াই দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং শিবের তাণ্ডব নাচের মতো দিন, মাস কিংবা বছর ধরে চললেও আমরা থামব না।”

  • আইনি লড়াই ও সুপ্রিম কোর্ট: প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী বিরোধী দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি শাখায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পিটিশন জমা দেয়। নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতভেদ এবং অপর দুই কমিশনারের লিখিত আপত্তির খবর ফাঁক হওয়ার পর থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

  • প্রশাসনিক কড়াকড়ি ও প্রতিক্রিয়া: বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েনের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে, শাসক দল বিজেপি এই পদযাত্রাকে সস্তা ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলে অভিহিত করেছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : দৈনিক দুর্বার

কমেন্ট বক্স