গত ৩০ ডিসেম্বর সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের পুলিশ ক্যাম্প এলাকার আশরাফুল মান্নানের টিনশেডের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, ২২ ডিসেম্বর বিকালে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি যার বয়স আনুমানিক ৪৫, তার মুখে লম্বা দাঁড়ি। তিনি পার্শ্ববর্তী বাড়ির ভাড়াটিয়া বাদশা মিয়াকে (৬০) সাথে নিয়ে একটি কক্ষ ভাড়া নেন। দুইশ টাকা অগ্রিম দিয়ে কক্ষটিতে সঙ্গে থাকা ব্যাগ নিয়ে উঠে পড়েন। এরপর রুম পরিষ্কার করে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন। অপরিচিত ব্যক্তিটিকে বাসা ভাড়া দেয়ার জন্য বাড়ির মালিক নাগরিক সনদপত্র চাইলে, তার সঙ্গে নেই এবং পরিবারসহ বাসায় উঠলে তখনই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেবেন বলে জানান তিনি।
পরবর্তীতে ওদিন রাতে দশটার দিকে পুনরায় অজ্ঞাতনামা ভাড়াটিয়ার সাথে আরও দুইজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাসার কক্ষে অবস্থান করে। পরদিন সকাল থেকেই কক্ষটি তালাবদ্ধ দেখতে পায় পাশের কক্ষের ভাড়াটিয়ারা।
বাসা ভাড়া নেয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আর বাসায় আসতে দেখা যায় না। কয়েকদিন পর ওই কক্ষের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এরপর ভেতরে মরদেহটি পরে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে জরুরি পরিষেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার জানান, অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধারের পর নানাভাবে তার তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সম্ভব হয়নি।
তিনি জানান, সুরতহাল রিপোর্টের সময় দেখা যায় তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। স্বাস্থ্য মাঝারি, গায়ের রং শ্যামলা। পড়নে কালো হাফপ্যান্ট, গায়ে ফুলহাতা নেভি-ব্লু হুডি সোয়েটার যার সামনের অংশে হিল ফিগার লেখা ছিল।সোয়েটারের নিচে হাফ হাতা লাল সবুজ রংয়ের গেঞ্জি ও হাফ হাতা সাদা কালো লাল গেঞ্জি ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।