কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, জেনিনের পর এবার তুলকারেমেও শুরু হয়েছে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ। স্থানীয় গণমাধ্যম কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, অঞ্চলটির একটি হাসপাতাল ঘিরে রেখেছে ইসরায়েলি সেনারা।
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকেই পশ্চিম তীরে তাণ্ডব শুরু করেছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। অজুহাত দিচ্ছে জঙ্গি নির্মূলের। তবে গণমাধ্যম আর স্থানীয়দের মতে, ইসরায়েলের এসব হামলার টার্গেট মূলত বেসামরিকরাই।
এর আগে বন্দিদের মুক্তি দেয়া নিয়ে খামখেয়ালি করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। খান ইউনিসে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেয়ার সময় ভিড় হওয়ায় মেজাজ হারান তিনি। ঘোষণা দেন, দেরি করে ছাড়বেন ফিলিস্তিনি ১১০ কারাবন্দিকে।
জিম্মি মুক্তিকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলে পুরোদস্তুর আনন্দ-উল্লাস চললেও নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছেন ফিলিস্তিনিদের উল্লাসে। প্রিয়জন ঘরে ফেরার আনন্দে কোনো উল্লাস-উদযাপন করা যাবে না বলেই আগেই দিয়ে রেখেছিলেন সতর্কতা। এর আগে দ্বিতীয় দফায় জিম্মি মুক্তি ও বন্দি বিনিময়ের সময়ও আনন্দ করায় আটক হতে হয়েছে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে।